
সুনামগঞ্জে জেলার ছাতক উপজেলার ভাতগাঁও ইউনিয়ন ছাত্রলীগ নেতা নোমান আহমদের পরিবারের ওপর তিন দফা হামলা, ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, মারধর ও তাঁর বড় ভাইকে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে। ইউনিয়নের হাসামপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
নোমানের বাবা জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট প্রথম দফায় তাদের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়। ওই ঘটনার পর অনেক কষ্টে একটি টিনশেড ঘর নির্মাণ করে সেখানে বসবাস শুরু করেন তারা। এরপর ২০২৬ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় দফায় আবারও তাদের বাড়িতে গিয়ে স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মী নোমান আহমদকে তাদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানান। একই সঙ্গে তাঁর পরিবারের কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় এবং ওই টাকা দ্রুত পরিশোধ করতে চাপ দেওয়া হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, দাবি করা চাঁদার টাকা সংগ্রহের জন্য গত ১৭ এপ্রিল রাতে অভিযুক্তরা আবারও বাড়িতে যান। এ সময় পরিবারের পক্ষ থেকে টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে নোমান আহমদের মা নেয়ারুন নেছাকে বেধড়ক মারধর করা হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। একই সময় নোমানের বড় ভাই সুলাইমান হুসেন প্রতিবাদ করলে তাঁকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যাওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তার বাবা।
পরিবারের দাবি, ধারাবাহিক হামলা, চাঁদাবাজি ও ভয়ভীতির কারণে তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এবিষয়ে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বলেন, নোমান একজন পলাতক ছাত্রলীগের নেতা, সে দেশে থাকা অবস্থায় ছাত্রলীগের প্রোগ্রামে নেতৃত্ব দিতো এবং বিএনপির নেতাকর্মীদের সাথে খারাপ আচরণ করতো, এখন বিদেশে অনলাইনে বড় বড় নেতাদের বিরুদ্ধে লেখালেখি করে, এজন্য আমরা তাকে গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি।